আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি বেগমগঞ্জ নোয়াখালী থেকে প্রেরিত সংবাদ: অদ্য সোমবার ১৭ই আগষ্ট ২০২৫ইং ভোর ৭.৩০ ঘটিকায় উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশ্চিত করেন যে-মৃত শ্রী সুধাংশু শাহার স্ত্রী বিধবা মিত্রা সাহা (৬৮) সাং- বেগমগঞ্জ উপজেলা, চৌমুহনী পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত উত্তর হাজিপুর গ্রামের স্থায়ি বাসিন্দার মৃত্যুর ঘটনাটি এলাকায় চরম উত্তেজনাকর শোকের পরিস্থিতি সৃষ্টি ঘটায়। এই মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে উল্লেখ যে-গতকাল ১৬ই আগষ্ট স্থানিয় ভূমিদস্যু মৌলবাদ দুর্বৃত্তদের মিথ্যা তথ্যর উপর ভিত্তিকরে যৌথবাহিনী বৃদ্ধা মিত্রা শাহা ও কন্যা সীমা সাহাকে ব্রাহ্মনবাড়ীয়া থেকে আটক করে বেগমগঞ্জ থানায় বন্দি করেন এবং সাজা ঘোঘীত পলাতক পুত্রের সন্ধান জানার জন্য বিভিন্নভাবে অমানবীক ও মানুষিক নির্যাতন চালালে তিনি চরম ভীত গ্রস্থ হয়ে হার্ট এ্যাটাক্ট করেন ।ফলে সেই রাতে পুলিশ পাহাড়ায় ওনাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করলে আই.সি.ইউ তে চিকিৎসারত অদ্য ভোরে মৃত্যু হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত নির্মম মৃত্যুর ঘটনাটি তার পরিবার ও এলাকাবাসির মধ্যে চরম শোকের ছায়ার ও উত্তেজনা বিরাজমান। সংবাদ প্রতিনিধি এই বিষয় ভিকটিম পরিবার সদস্যর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালায় কিন্তু গৃহে কাউকে না পেয়ে প্রতিবেশীদের মাধ্যম জানতে পারেন-মৃত মিত্রা সাহার পরিবার আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে স্বক্রিয় ছিল। উল্লেখ্য যে-তিনি এলাকায় নির্যাতীত অসহায় নারীদের আত্ম-নিভরশীল গড়ে তোলা ও জনকল্যান কর্মকান্ডে স্বত্রিয় জড়িত থাকায় স্থানিয় মৌলবাদী দূর্বৃত্তরা তাদের প্রতি দীর্ঘদিন চরম ক্ষিপ্ত ও প্রতিশোধ পড়ায়ন হয়ে শেখ হাসিনার পতনের সাথে সাথে এইরুপ বর্বরচিত হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। প্রতিনিধি আরো জানতে পারে-ভিকটিমের বড় পুত্র সুমন সাহা উচ্চ শিক্ষিত ও পেশাগত ব্যবসায়ি কিন্তু ব্যবসায়ি পার্টনার ও স্থানিয় ভূমি দস্যু চক্ররা বিভিন্নভাবে তাকে প্রতারিত ও সহায় সম্পত্তি জোরদখলেরপর ষড়যন্ত্রকৃত একাধীক মামলায় জড়িত করে। ফলে তিনি জীবনের নিরাপত্তার কারনে অবশেষে বাধ্যতামুলক স্বপরিবারে স্বদেশ ত্যাগ করে ভারতে আত্মগোপনে আছেন। এই ঘটনার বিষয় ভিকটিমের কন্যা ও স্বামীকে ফোনে যোগাযোগে জানতে পারে যে পুলিশের নির্মম নির্যাতনে মায়ের মৃত্যুর ঘটে এবং কন্যা সীমা সাহা (৪০) পুলিশের অমানবীক নির্যাতন ও জীবন নাশের হুমকি ধামকিতে এই মৃত্যুর বাস্তবতার বিষয় কোন মতামত ব্যক্ত করতে নারাজ।
প্রতিনিধি যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তার সাথে এই বিষয় জিজ্ঞসাবাদ করলে তারা বিষয়টি সম্পূর্ন অস্বিকার করেন এবং দাবী করেন যে, তিনি বার্ধক্য জনিত ও দীর্ঘদিন বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত থাকার কারনে তিনি চিকিৎসারত মৃত্যু বরন করেছে। এই নির্মম ঘটনাটি সংখ্যালঘু সমাজে চরম শোকের ছায়ার আর্বিভাব সৃষ্টি ঘটাতে আইন প্রশাসন বিষয়টি সাম্প্রদায়িকতার প্রতি গভির নজরদারী রেখে কঠোর মনিটরিং ও প্রচার মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রন করার প্রয়াস চালাচ্ছে।
Leave a Reply