আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি সিলেট সদর থেকে প্রেরীত সংবাদ, গতকাল বুধবার ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং সন্ধা আনুমানিক ৬.৩০ ঘটিকায় সি.আই.ডি পুলিশ ইসকন মন্দির প্রাঙ্গন থেকে বিধবা মায়া রানী দাস বয়স আনুমানিক ৬৫/৬৬কে ভারতীয় গুপ্তচর ও জঙ্গিবাদ সন্দেহে জোরপূর্বক থানায় বন্দি করে। পুলিশ তাকে চরম ভীতকর মানুষীক নির্যাতন চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ভীতগ্রস্ত হয়ে থানায় হার্ট এ্যাটাক্ট করেন এবং পুলিশি পাহাড়ায় তিনি বর্তমানে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসারত আছেন। এই নির্মম ঘটনার বিষয় ইসকন মন্দিরের ধর্মপড়ায়ন কিছু সদস্যরা নিজেদের নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুগন নিশ্চিত করেন যে, উক্ত বৃদ্ধা মহিলা মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল থানা নিয়ন্ত্রনাধীন পূর্বাশা গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানিয় ভূমি দস্যু চক্রের নির্মম নির্যাতনে স্বামী কন্যা পূত্র পরিবার ও বাড়ী সম্পত্তি হারিয়ে জীবনের নিরাপত্তর জন্য এই মন্দিরে দীর্ঘদিন যাবৎ আশ্রয়ে আছেন। প্রতিনিধি আরো জানতে পারেন যে, সম্পত্তি জোরদখলদার ভূমি দস্যুরা বৃদ্ধা মহিলার স্বামী সন্তষ চন্দ্র দাসকে হত্যা ও কুমারী কন্যা সবিতা রানীকে অপহরন কর হয় যাহার কোন সংবাদ এখনো কেউ জানেনা। এমনকি পূত্র নারায়ন চন্দ্র দাসকে মিথ্যা ষড়যন্ত্র মামলায় জড়িয়ে স্বপরিবারে স্বদেশ থেকে পালাতে বাধ্য করা হয়। ফলে প্রতিনিধি বিষয়টি গুরুত্বদিয়ে সদর কতোয়ালী থানার ও/সি সাহেবকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন যে, বৃদ্ধার পূত্র পরিবার ও আরো অনেক প্রতিবেশী হিন্দু যুবকরা একাধীক গুরুতর অপরাধের ফেরারী আসামি হয়ে ভারতে আত্মগোপন আছে। এমনকি তারা কট্টর হিন্দুত্ববাদ ভারতীয় শীব সেনার সদস্য ও ভারতে আত্মগোপনরত শেখ হাসিনার উগ্র সন্ত্রাসবাদ নেতাকর্মিদের সাথে যোগসাজসে দেশের অভ্যন্তরে গুরুতর জঙ্গিবাদী নাশকতা চালিয়ে আসছে বলে তিনি দাবী করেন। ফলে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ বাদীহয়ে কতোয়ালী থানায় মামলা রজু হয়েছে এবং সি.আই.ডি পুলিশ মামলার সুক্ষ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালে যোগাযোগে ডিউটি ডাক্তার নিশ্চিত করেন যে বৃদ্ধা ভীতিগ্রস্ত হয়ে হার্ট-এ্যাটাক্ট করেছেন এবং এখনো আশঙ্কা মুক্ত হয়নি তবে আই.সি.ইউতে নিবির পরিচর্যা চলমান আছে।
Leave a Reply