আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি
কুমিল্লা থেকে অদ্য সংবাদ প্রেরন করেন যে-গতকাল ২৩শে ডিসেম্বর ২০২২ইং রোজ শুক্রবার সন্ধায় জোরকানন ইউনিয়ন পরিষদ স্কুল মাঠে বিরোধী রাজনৈতীক দলের সমর্থদের সাধারন জনসভা চলাকালিন ক্ষমতাশীন দলের নেতাকর্মিরা বিভিন্ন হাতিয়ার অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। ফলে উভয়ের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া থেকে ভয়াবহ দাঙ্গাফসাদে রুপ নিলে একপর্যায় ক্ষমতাশীন দলীয় কিছু দূঃস্কৃতিকারী নেতাকর্মির বর্বরচীত আক্রমনে উভয় পক্ষের ৮/৯জন গুরুতর আহত হয়। পুলিশ আসার পূর্বে স্থানিয় লোকজন আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সদর হাসপাতলে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করলে মোঃ ফরিদ মিয়া (৪৫), পিং-মৃত মোঃ আলী মিয়া, পেশা-ফল ও সবজি ব্যবসায়ি, সাং-লালবাগ, পূর্ব জোরকানন বাসিন্দা গুলি বিদ্ধ গুরুতর আহত অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনের ফলে চিকিৎসারত সন্ধা ১৯.১৫ ঘটিকায় মৃত্যু ঘটে। এই অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি ঘটায় এবং কিছু উশৃঙ্খল যুবকরা আওয়ামী রাজনৈতীক দলীয় প্রভাব বিস্তার করে জান মালের চরম ক্ষতী সাধন করতে থাকে। প্রতিনিধি স্থানিয় লোকজনকে ঘটনার উৎপত্তির বিষয় জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে-অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে নবনির্বাচীত চেয়ারম্যানের ভোট দূর্নীতির বিরুদ্ধে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মিরা পূর্ব জোরকানন ইউনিয় পরিষদ স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে প্রতিবাদ জনসভা পরিচালনা করে। ফলে চেয়ারম্যানের ইশারায় দলীয় নেতকর্মিরা তাদের অনুষ্ঠান বাঞ্চালের লক্ষে অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে উভয়ের মধ্যে ভয়াবহ মারামারি ও দাঙ্গাফসাদ শুরু হয় এবং ঘটনাস্থলে কে বা কাহার নিক্ষেপিত গুলি বিদ্ধ হয়ে মোঃ ফরিদ মিয়ার মৃত্যু ঘটে। এই হত্যার বিষয় থানায় যোগাযোগে জানাযায় যে-প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষি প্রমানের ভিত্তিতে স্থানিয় আওয়ামী নেতা জনাব মোঃ আবদুল মমিন সাহেব গত রাতে ১১জন বিরোধী দলীয় নেতা কর্মির বিরুদ্ধে পরিকল্পীত দাঙ্গাফসাদ ও হত্যার অভিযোগের মামলা রুজু করেন। থানার ডিউটি অফিসার বাদীর এজাহার অনুসারে মামলায় জড়িত আসামীদের নাম পরিচিতি নিশ্চিত করেন যে-১। সৈয়দ মোস্তাক আহমেদ (৩৩/৩৪) ,পিং -সৈয়দ শাহনেওয়াজ, ২। ইমরান জামিল (২৮/৩০) -সুলতান জামিল, ৩। রেজউল হক (৩৩/৩৪) পিং-আকবর মিয়া, ৪। শিশির দাস (২৫/২৭) পিং-শ্রী নবীন দাস,৫। ইকবাল মাসুদ (৩০/৩২) ,পিং -মৃত দাউদ মিয়া, ৬। মোঃ সাইফ (২৭/২৮) পিং-ডাঃ সাফায়েত হোসেন, ৭। আমিন নুর (৩৫/৩৭), পিং-জামাল নুর, ৮। এনামুল রশিদ (৩৮ / ৪০ ) পিং-জবিরুল আলম, ৯। সাইফুল বারি (৩৯/৪০),পিং -মৃত মেজবা উদ্দিন, ১০। সাধন বিশ্বাস (২৮/৩০),পিং -সঞ্জয় বিশ্বাস, ১১। বাদল ভৌমিক (৪০/৪২) ,পিং-শ্রী বংকিম ভৌমিক, সকলে ঠিকানা ৬নং পূর্ব জোরকানন ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ন্ত্রাধীন বিভিন্ন গ্রামের স্থায়ি বাসিন্দা। সদর দক্ষিন থানার তথ্য অনুসারে জানাযায় যে-পুলিশ ফোর্স অভিযান চালিয়ে এপর্যন্ত ৫জনকে আসামীকে গ্রেফতার ও থানার নিয়ন্ত্রনে জিজ্ঞাসাবাদ চলমান আছে এবং আগমিকাল তাদের আদালতে হাজির করাহবে। এই হত্যাকান্ডর বিষয় স্থানিয় কিছু লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদে ভিন্য তথ্য জানাযায় যে-হত্যার মূল রহস্য গুলি বিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এবং তারা নিশ্চিত ভাবে দাবী করে-আওয়ামী যুবলীগের ৪/৫জন দাগী সন্ত্রাসীরা আগ্নে অস্ত্র নিয়ে সমাবেসে হামলা ও গোলা গুলি নিক্ষেপ করে নির্মম হত্যাযজ্ঞ ও নাশকতা চালায়।
Leave a Reply