আমাদের প্রতিনিধি ফেনী দাগনভূঞাঁ থেকে প্রেরীত সংবাদ যে- রামনগর ইউনিয়ন পরিষদ অন্তর্ভুক্ত মোহাম্মদপুর গ্রামের স্থায়ি বাসিন্দা শ্রী বিমল চক্রবর্তীর কিশোরী কুমারি কন্যা বৃষ্টি চক্রবর্তী (১৪) হাই স্কুলের ছাত্রীর বস্তাবন্ধি লাশ অদ্য ১২ই মে ২০২১ইং সকাল ৮.৫৫ ঘটিকায় বৈরাগীরহাট বাজার রোডের নিরিবিলি একটি জলাশয় যুক্ত জঙ্গলের ভিতর থেকে উদ্ধার করাহয়। এই বিষয় পুলিশ সংবাদ লাভের সাথে সাথে সেখানে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার ও ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে ভিকটিমের মরদেহ প্রেরন করা হয়েছে। প্রতিনিধি উপস্থিত পুলিশ পরিদর্শককে এই বিষয় জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন যে-ভিকটিমকে গনধর্ষন এবং শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে, তবে ময়না তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনার বিষয় জানা যাবে। এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে ঘটনা স্থলে ভিকটিমের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে ক্রন্দলরত তার দুই ভাই বিজয় ও মনতোষ প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেন যে, গত সোমবার ১০ই মে ২০২১ইং সন্ধারাতে অসুস্থ্য পিতাকে ফেনী সদরে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ী ফেরার পথে অন্ধকারে বৈরাগীরহাট বাজার রোডে ৬/৭জন মাক্সপড়া অস্ত্রধারী দূর্বৃত্ত তাদের সিএনজি টেক্সি ঘিরে ফেলে। কিছু বুঝে উঠার পূর্বেই ওরা ফাকা গুলি নিক্ষেপ করে তাৎক্ষনিক ছোট বোন বৃষ্টিকে অস্ত্রের মূখে অপহৃরন ও প্রাইভেট টেক্সিতে উঠিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এই ঘটনারপর তাহারা তাৎক্ষনিক দাগনভূঞাঁয়া থানাকে ঘটনাটি জানালে কর্তব্যরত অফিসার ও/সির রুমে কিছু সময় অতিক্রমেরপর ব্যঙ্গজ্ঞাত্ত ভঙ্গিতে অবগত করেন যে-আপনাদের বোন প্রেমঘটিত কারনে পরিকল্পীত নাটক সাজানো অপহরনের ঘটনা সাজিয়ে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেছে ইত্যাদি। প্রতিনিধি বিষয়টি শুনারপর পুলিশের এইরুপ অনৈতীক মন্তব্যর বিষয় থানার ও/সিকে ফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সম্পূর্ন অস্বীকার করেন এবং ভিকটিম পরিবারকে আশ্বস্থ্য করেন যে-পুলিশ লাশের ময়নাতদন্তর উপর ভিত্তি করে সকল প্রকার আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এবং প্রাথমিকভাবে ভিকটিমের ভাইদের বয়ানের উপর সন্দেহাতী স্থানিয় ২ জন সন্ত্রাসী যুবক ভাই ১। লিটন মোল্লা, ২। রুবেল মোল্লাসহ অজ্ঞাত আরো ৬জনের বিরুদ্ধে অদ্য দুপুরে দাগনভূঞাঁ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইন সংস্থা তাদের ধরতে সর্বত্র সন্ধানরত আছেন, এই সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কোন আসামীকে ধরতে পারেন নাই।
Leave a Reply