সুনামগঞ্জ থেকে আমাদের প্রতিনিধির সংবাদ-যে গত ৫ই আগষ্ট ২০২৪ইং স্বৈরা হাসিনা সরকার পতনেরপর সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মি ও সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর বর্বরচীত হামলা, অপহরন/নির্যাতন ও হত্যাকান্ড চালানো হয়েছে। যাহার মধ্যে ৫ই আগষ্ট জগনাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ রিজু মিয়া (৫০) কে স্থানিয় দুর্বৃত্তরা সন্ধায় বাজার থেকে অপহরন করে এবং একই উপজেলা আশারকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রায়হান আহমেদ জিনুক (৪২) কে রাতে গৃহ থেকে শিবির কর্মিরা অপহরন করে। পাটলি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ছায়েদ মিয়া (৪৩) কে ৫ই আগষ্ট রাতে সিমান্ত এলাকা থেকে স্থানিয় লোকজন অপহরন করেন এবং রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফ মোস্তফা (৩৮)কে ৬ই আগষ্ট সিলেট সদর থেকে শিবির কর্মিরা অপহরন করা হয়। চিলাউড়া ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৮)কে ৭ই আগষ্ট সন্ধায় দূর্বৃত্তরা বাজার থেকে অপহরন করে এবং সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ প্রচার সম্পাদক সিদ্দিক মিয়া (৪৪)কে ৯ই আগষ্ট সন্ধায় জামায়েত শিবির নেতাকর্মিরা গৃহ থেকে অপহরন করে। উপরন্ত চিলাউড়া ইউনিয়নের সংখ্যা লঘু স্বর্ন ব্যবসায়ি শ্রী বিজয় শেখরা (৪৭)কে ৫ই আগষ্ট সন্ধায় দোকান থেকে দুর্বৃত্তরা অপহরন করে এবং জগনাথপুর সদর এলাকায় শ্রী প্রবীর বিশ্বাস (৪৫) কে দূর্বৃত্তরা ৭ই আগষ্ট গৃহে হামলা চালিয়ে মারধর লুটপাট অপহরন করে। এই নির্মম ঘটনারপর ঐসকল অপহৃত ব্যক্তিদের আদৌ কোন হদিস বা সংবাদ জানাযায় নাই এবং তাদের পরিবার বর্গরা ব্যক্তিগত উদ্দোগে সন্ধান চালিয়ে ও পরবর্তিতে আইন সংস্থার কাছে অভিযোগ জানিয়েও এখনো কোন প্রতিকার বা সংবাদ জানতে পারে নাই ফলে এই গুরুতর ঘটনাটির বিষয় দেশের মানবাধীকার ২টি এনজিও সংগঠন কিছু সংবাদ প্রচার সংস্থার সম্মনয় গোপনে নিখোজ/অপহরিত ব্যক্তিদের সন্ধান উৎঘাটনের স্বক্রিয় ভূমিকা চালায় কিন্তু দুঃখের বিষয় যে রাষ্ট্রীয় আইন সংস্থার বাধা নিষেধের সম্মুখীন হয়ে বহুবার এই অনুসন্ধানের কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হয়েছে। এনজিও সদস্য ও সাংবাদিকরা প্রতিটি নিখোজ/অপহৃত ব্যক্তির বিষয় জানতে তাদের আত্মিয়/পরিজনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টাকরলে স্থানিয় রাজনৈতীক ও প্রভাবশালী মহলের বাধা/হুমকির সম্মুখিন হতে হয়েছে। এমনকি তাদের মণগড়া বিভ্রান্তিকর ভাষ্য মোতাবেক জানাযায় যে-নিখোজ/অপহরিত ব্যক্তিরা স্বৈরা হাসিনার দোষর ও ক্ষমতার অপব্যহারকারী দুর্নীর্তিবাজ অসৎ চরিত্রের ব্যক্তি। হিসাবে সমাজে চিহ্নিত বিধায় ৫ই আগষ্টেরপর তারা জীবন বাচাতে স্বেইচ্ছায় পালিয়ে ভারতে আত্মগোপনে আছে এবং সেখান থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে দেশের অভ্যন্তরে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টিকরছে। এই অভিযোগের সত্যতা উৎঘাটনের লক্ষে সরজমিনে দীর্ঘ অনুসন্ধানে গত ৮/০৬/২৫ইং জানাযায় যে, মৌলভীবাজারে একটি হাওর থেকে পাটলি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ছায়েদ মিয়ার বিকৃত চেহাড়ার অর্ধগোলীত লাশ স্থানিয়রা উদ্ধার করে এবং লোকাল থানার মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তিতে অনুসন্ধানে গত ১১/০৮/২৫ইং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা খাল থেকে বালু উত্তলনের সময় ১টি কবর থেকে ৩জন ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করা হয় এবং তাদের দেহের পোশাক পরিধান যাচাই করে ১জন গুমকৃত ভিকটিম যুবলীগ সভাপতি রায়হান-আহমেদ জিনুককে তার পরিবার শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং বাকিদের সন্ধান চলমান আছে। যাহারপর এই নিখোজ ও অপহরন/হত্যার ঘটনাটির অনুসন্ধানের জন্য সংবাদ প্রতিনিধি স্থানিয় থানায় যোগাযোগ করলে আইন প্রশাসন এইসব অপহরন ও হত্যার বিষয় কোন সঠিক তথ্য প্রকাশে অনিচ্ছা জানিয়ে তদন্ত চলমান আছে বলে এড়িয়ে যান। ফলে সংবাদ প্রতিনিধি ও এনজিও সদস্যরা গোপনে ভিকটিম পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন কিন্তু তাদের আত্মিয় পরিজনরা ভীতগ্রস্থ ও জীবনের নিরাপত্তার অভাবে প্রতিনিধিদের সাথে উপস্থিত সাক্ষাতে কোন সঠিক তথ্য দিতে অপারগতা জানায়। তবে আমাদের অনুসন্ধান কার্যক্রম বলবৎ আছে এবং ভবিষ্যতে অপহরন/গুমের আরো বাস্তব চিত্র জনগনের মাঝে তুলে ধরা প্রত্যাশা রাখছি।
Leave a Reply