আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি ফরিদপুর থেকে অদ্য ৩০শে ডিসেম্বর ২০২১ইং প্রেরীত সংবাদে নিশ্চিত করেন যে, সালথা উপজেলা যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদ অর্ন্তভুক্ত জগন্নাথদী গ্রামের প্রভাবশালী ও বিত্তবান হাসমত মাতবরের কুমারী কন্যা মোছাঃ রোকসানা খাতুন (১৬) গত বুধবার ২৯শে ডিসেম্বর ২০২১ইং ভোর রাতে সিলিং ফ্যানে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। এই অনাকাঙ্খিত আত্মহত্যার বিষয় সংবাদ প্রতিনিধি ভিকটিমের প্রতিবেশী ও এলাকাবাসিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন যে, একই গ্রামের কৃষক পরিবার মোঃ সামসুল হক মিয়ার ছোট পুত্র রমিজ মিয়া (৩০) এর সাথে ভিকটিম রোকসানার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠার কারনে এই আত্মহত্যা উৎপত্তি ঘটেছে। এলাকাবাসীর মাধ্যমে আত্মহত্যার মূল রহস্য প্রতিয়মান হয় যে, রোকসানার অভিভাবক কৃষক রমিজ মিয়ার সাথে কন্যার অনৈতীক সম্পর্কর বিষয় জানারপর চরম ক্ষিপ্তহয়ে সামাজীক মর্যাদার প্রতি গুরুত্বপাত করেন এবং দ্রুত উপযুক্ত পাত্রের সাথে মেয়ের বিবাহর দিন নির্ধারন করাতে কন্যা মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করে। এ বিষয় ভিকটিম রোকসানার পরিবার ও থানার ও/সির সাথে যোগাযোগে প্রতিনিধি জানতে পারেন যে, কৃষক রমিজ মিয়া লম্পট অশিক্ষিত যুবক এবং কৌশলে নাবালিকা রোকসানাকে প্রেমের ফাদে আবদ্ধকরে অবৈধ দৈহিক সর্ম্পক গড়ে তোলে। একপর্যায় রোকসানা অন্তস্বত্তা হয়ে পড়লে রমিজ মিয়াকে বিষয়টি জানায় এবং দ্রুত বিবাহের চাপ দিলে লম্পট রমিজ মিয়া বিভিন্নভাবে প্রতারনামূলক অজুহাত দেখিয়ে তাকে এড়িয়ে যায়। ফলে অন্তস্বত্তা রোকসানার দ্রুত শারীরিক পরিবর্তনের বিষয় গুলো পরিবারে লোকজনের নজর আকৃষ্ট করলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং এইরুপ পরিস্থিতিতে মানুসিক ভারসাম্য হারিয়ে রোকসানা বাধ্যতামূলক গত ভোর রাতে আত্মহত্যা করে বলে অভিভাবক দাবী করেন। পুলিশ পরিদর্শকে জিজ্ঞাসাবাদে সংবাদ প্রতিনিধি নিশ্চিত হয় যে, ফরেনসীক তথ্য মোতাবেক ভিকটিম অন্তস্বত্তা ছিল, যার ফলে ভিকটিমের অভিভাবকের অভিযোগ অনুসারে অদ্য বিকালে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রমিজ মিয়া ও তার ২ ভাই মোঃ মাসুদ মিয়া (৩৬), মোঃ রুবেল মিয়া (৩৩) এর বিরুদ্ধে মামলা রজু করা হয়েছে। পুলিশ ২ ভাইকে গ্রেফতার করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন এবং রমিজ মিয়াকে আটক করতে সর্বত্র তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
Leave a Reply