সংবাদ প্রতিনিধি দিনাজপুর থেকে অদ্য ১৪ই অক্টোবর ২০২৫ইং প্রেরীত সংবাদে অবগত করেন যে, দিনাজপুর সদর বালুবাড়ী বানিজ্য এলাকায় নির্মানাধীন লাবনী টাওয়ার বহুতল আবাসিক ও কমার্শিয়াল ভবনে গতকাল সোমবার ১৩ই অক্টোবর আনুমানিক বেলা ১১.১৫ ঘটিকায় ৫ম তলায় ছাদ ঢালাই চলাকালিন কর্মরত শ্রমীক মোঃআশরাফুল (২৭) উচু থেকে পড়ে তার মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনারপর শ্রমীকরা কাজকর্ম বন্ধকরে ভিকটিমকে দ্রুত সদর হাসপাতালে হাজির করে এবং কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করলে শ্রমীকদের মধ্যে চরম শোকের ছায়া নেমে আসে। এই মৃত্যুর ঘটনাটির বিষয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানালে পুলিশ পরিদর্শক ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতেহাল তথ্য সংগ্রহরপর ময়না তদন্তের জন্য ফরেনসীক মর্গে লাশ প্রেরন করে। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমীকদের জিজ্ঞাসাবাদে মৃত্যুর ঘটনার উৎপত্তির বিষয় সন্দেহ জনক কিছু তথ্য লিপিবদ্ধ করেন এবং ভবন নির্মান ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স কোয়ানটাম ডিজাইন এন্ড ডেভেলপম্যান্ট এর কর্মকর্তাদের থানার নিয়ন্ত্রনে কাগজপত্র যাচাইও তাদের ভাষ্য/বয়ান রেকর্ড করেন। সংবাদ প্রতিনিধি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের সাথে আলোচনায় জানতে পারেন যে, লাবনি টাওয়ার প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়র রিফাত সাহেব শ্রমীকদের মাধ্যমে দূর্নীতি জনক গাফিলতীর কারনে দূর্ঘটনায় শ্রমীকের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। এবিষয় পুলিশ পরিদশর্ক ও অফিসার ইনচার্জকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানতে পারেন যে, দূর্নীতির মাধ্যমে ভবন নির্মান ভেজাল সামগ্রী সর্বরাহ নিয়ে প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়র ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গুরুতর বিবাধ সৃষ্টি হয়। যারফলে শ্রমীকদের মধ্যে ২টি গ্রুপিং হওয়াতে এই মৃত্যুর ঘটনা সন্দেহাতীত পরিকল্পীত হত্যাকান্ড হিসাবে পুলিশ প্রশাসন ধারনা করছেন। এই মৃত্যুর ঘটনারপর থেকে পুলিশের বিশেষ দৃষ্টিতে ২জন নির্মান শ্রমীক ও প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়র ঘটনা স্থল ও জনসম্মুখে অনুপস্থিত। বিধায় পুলিশ বিষয়টি সন্দেহাতীত হত্যাকান্ড ধারনা করছে এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ১। ইঞ্জিনিয়র রিফাত আহমেদ, পিং-সফিউদ্দিন আহমেদ, নির্মান শ্রমীক ২। নুর উদ্দিন, পিং-আজাদ মিয়া, ৩। রমিজ উদ্দিন পিং-নাজির আলীর বিরুদ্ধে গতকাল সন্ধায় হত্যা মামলা দায়ের করে আসামীদের গ্রেফতার তৎপড়তা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রাথমিক দৃষ্টিতে পুলিশের তথ্য মোতাবেক সংবাদ প্রতিনিধি ধারনা করছেন যে মৃত শ্রমীক মোঃ আশরাফুল ভবন নির্মানের মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাধের দূর্নীতির সাথে জড়িত ছিল বিধায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অথবা প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়র গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্তহয়ে এই নির্মম হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। থানার ও/সি নিশ্চিত করেন যে, মামলার তদন্ত চলমান এবং প্রকৃত অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় কঠোর সাজায় দন্ডিত করতে বদ্ধ পরিকর।
Leave a Reply