আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি মঈন
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা থেকে প্রেরীত সংবাদে নিশ্চিত করেন যে, আইন সংস্থা বিশ্বস্ত তথ্যর ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার ১২ই নভেম্বর ২০২৪ইং সন্ধা আনুমানিক ১৮.৩০ ঘটিকায় মহুরী নদী সেতু নির্মান ও উন্নয়ন প্রকল্পের বেষ্টনীর পূর্ব পাশে খনন করে ২টি ছালার বস্তাভর্তী বিপুল পরিমান ভারতীয় আগ্নে অস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার ও জব্দ করতে সক্ষম হয়। এই সকল জব্দকৃত অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদের বিষয় প্রকল্পে কর্মরত সুপারভাইজার ইসকান্দার আলী এবং স্টোর কিপার সুবীর দাস ও ২ জন দারোয়ান ১। কামাল উদ্দিন, ২। সিরাজুল হককে থানার নিয়ন্ত্রনে জিজ্ঞাসা বাদে জানতে পারেন ৫ই আগষ্ট ২০২৪ইং এর দেশব্যাপি বৈষম্যবিরোধী গনআন্দোলনে স্বৈরাচার হাসিনার সরকার পতনের পর আওয়ামী নেতাকর্মিরা ও সমর্থকেরা গোপনে রাতের অন্ধকারে এইসকল বেআইনি অস্ত্র স্বস্ত্র বস্তায় ভর্তী করে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখে যায়। এই অস্ত্র গোলাবারুদ লুকানোর সাথে কে বা কারা স্বক্রিয় জড়িত এই বিষয় যৌথবাহিনী তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করলে একপর্যায় অকপটে ১২জন ব্যক্তির নাম পরিচিতি উল্লেখ করে স্বীকার উক্তি প্রদান করেন। ফলে সেই সন্ধায় পুলিশ ও যৌথবাহিনী বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫জন আসামীকে গ্রেফতার ও থানার নিয়ন্ত্রনে জিজ্ঞাসা বাদে নিশ্চিত হয় যে, স্বৈরাচারী হাসিনার দলীয় উস্কানি ও মদতপুষ্ট হয়ে বৈষম্য বিরোধী গন-আন্দোলন কঠোর প্রতিহত করার লক্ষে এইসকল বেআইনি অস্ত্র গোলাবারুদ নিজ তত্ত্বাবধানে বহনও প্রতিপক্ষের উপর অপব্যবহার করে আসছিল। যার ফলে সোনাগাজী থানা পুলিশ আটককৃত ও পলাতক মোট১২জন আসামীর বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন। যারমধ্যে গ্রেফতারকৃত যুবলীগ নেতা ১। হাসান মাসুদ (৪২), পিং-হাজী রহমত উল্লাহ, ২। শেফায়েত উল্লাহ (৩৩), পিং-বাহার উল্লাহ, ৩। মোঃ এরশাদ (৩৭), পিং-মৃত মোঃরবিউল, ছাত্রলীগ নেতা ৪। ইকবাল কবির (২৫), পিং-রাশেদ মুন্সি, ৫। রেজা ইমাম (২৪), পিং-তারেক ইমামগং সোনাগাজী সদর উপজেলা বাসিন্দা এবং পলাতক যুবলীগ আসামী ৬। রেজাউল করিম (৩৮), পিং-আবু সাইদ, ৭। আশরাফুর ইসলাম রিয়াদ (২৫), পিং-মাহফুজুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ৮। মনির আহমেদ (৪০), পিং-মৃত শাজাহান মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা, ৯। শাপিউল আলম (২৬), পিং-রুস্তম মিয়া, ১০। ইসমাইল মমীন (২৪), পিং-হাজী সুরুজ আলী, শ্রমীকলীগ নেতা, ১১। মোঃ জুবায়ের (৪৪), পিং-মৃত নজু মিয়া, ১২। আরিফুল হক ইনু (৩৫), পিং-আজগর হোসেনগং সকলে সোনাগাজী পৌরসভা অন্তরভুক্ত বিভিন্ন ওয়ার্ডের স্থায়ি বাসিন্দা। সংবাদ প্রতিনিধি থানার ও/সি ও যৌথবাহিনীর কমান্ডারকে আসামীদের বিষয় জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন যে, উদ্ধারকৃত বেআইনি অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৎকালিন সরকারী নির্দেশনায় তাদের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে এবং ধারনা করা যাচ্ছে যে ধৃত ও পলাতকসহ অজ্ঞাত আরো একাধীক আসামীরা জড়িত আছে। মামলার সুক্ষ তদন্তে আরো বিস্তারীত বিষয় পরবর্তিতে জানা যাবে এবং আইন সংস্থা পলাতকদের দ্রুত গ্রেফতার করতে সর্বত্র সন্ধানরত আছেন।
Leave a Reply